Posts

Showing posts from April, 2026

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি ও বিএসপি-র আদর্শ: মনোরঞ্জন বাগচীর দৃষ্টিভঙ্গি

Image
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি ও বিএসপি-র আদর্শ: মনোরঞ্জন বাগচীর দৃষ্টিভঙ্গি অশোকনগর ১০১ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রের বিএসপি সম্পাদক মনোরঞ্জন বাগচী ১৯৯৭ সাল থেকে এই দলের সঙ্গে যুক্ত। পেশায় শিক্ষক এই মানুষটি দীর্ঘকাল ধরে আম্বেদকরবাদী রাজনীতির সাথে যুক্ত এবং বর্তমানে তাঁর দলের হয়ে এলাকায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। রাজনৈতিক আদর্শ ও লক্ষ্য: মনোরঞ্জন বাগচীর মতে, বিএসপি মূলত বাবাসাহেব আম্বেদকরের সংবিধানপ্রদত্ত আদর্শ এবং হরিচাঁদ ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের ভাবধারায় পরিচালিত হয়। তাঁর মতে, সংবিধানের ধারাগুলো সঠিকভবে ইমপ্লিমেন্ট করলে মানুষের কোনো অভিযোগ থাকতো না। দলিত, এসসি, এসটি, ওবিসি এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষার লড়াই করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। বামপন্থী ও তৃণমূল কংগ্রেসের সমালোচনা: বামফ্রন্ট তিনি স্বীকার করেন যে বামপন্থীদের দর্শনের সাথে তাঁদের মিল আছে, কিন্তু মারিচঝাঁপিতে দলিতদের ওপর হওয়া অকথ্য নির্যাতনের কারণে তিনি বামপন্থীদের সমর্থন করেন না। তাঁর মতে, বাম আমলের সেই হত্যাকাণ্ড জালিয়ানওয়ালাবাগের ঘটনাকেও ছাপিয়ে গিয়েছিল। তৃণমূল কংগ্রেস: বর্তমান সরকারের 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' ব...

শান্তিনিকেতনে ‘একদুনিয়া’র শুভ সূচনা: প্রযুক্তি ও প্রতিভার নতুন দিগন্ত

Image
শান্তিনিকেতনে ‘একদুনিয়া’র শুভ সূচনা: প্রযুক্তি ও প্রতিভার নতুন দিগন্ত নিজস্ব প্রতিনিধি, শান্তিনিকেতন: বীরভূম জেলার শান্তিনিকেতনে সম্প্রতি প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার এক অনন্য মেলবন্ধন দেখা গেল। শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজের সেমিনার রুমে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে ‘একদুনিয়া’ (ekdunia.com) নামক একটি নতুন প্ল্যাটফর্মের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। প্রযুক্তি ও শিক্ষার মেলবন্ধন: এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী দুর্গাপুর ওমেনস কলেজের কমার্স বিভাগের একজন অধ্যাপক জানান যে, বর্তমান যুগে মানুষ সাধারণত ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউবের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু ‘একদুনিয়া’ অ্যাপ বা প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আধুনিক এআই (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভিন্ন টুলস সম্পর্কে শেখার এক বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে, এআই এলে চাকরি চলে যাবে—এমন ভয় থাকলেও, এই প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে কীভাবে শিক্ষাদানের পদ্ধতিতে নতুনত্ব আনা যায় এবং ছোট ছোট টুলসের মাধ্যমে কাজকে সহজ করা যায়, সেটাই আসল শিক্ষা। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই নতুন প্রযুক্তি শেখার জন্য কোনো খরচ করতে হচ্ছে না, ...

আমরা কেন http://ekdunia.com প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হব |

Image
**আমরা কেন http://ekdunia.com প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হব |*  ডিটেলস 👇* ### *১. কেন যুক্ত হবেন? | ১০টি বাস্তব কারণ* পোস্টারে ১০টি ক্যাটাগরির মানুষের জন্য ডিরেক্ট লাভ দেওয়া আছে : নং ক্যাটাগরি http://ekdunia.com-এ কী পাবেন **১** **ছাত্র-ছাত্রী** ফ্রি নোট, স্কলারশিপ আপডেট, সরকারি চাকরির নোটিফিকেশন, IIT-AIIMS ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারদের ফ্রি মেন্টরশিপ। **২** **চাকরিপ্রার্থী** আপনার জেলার প্রাইভেট কোম্পানি, স্কুল, নার্সিংহোম, শোরুমের জব পোস্ট। জিরো দালাল। ভিডিও CV পোস্ট করুন, HR ডিরেক্ট কল করবে। **৩** **ছোট ব্যবসায়ী/দোকানদার** ফ্রি ডিজিটাল দোকান। প্রোডাক্ট, অফার, UPI পোস্ট করুন। ৫ কিমি এলাকার কাস্টমার আপনাকে খুঁজে পাবে। **৪** **গৃহবধূ/স্বনির্ভর গ্রুপ** হাতের কাজ, আচার, পাপড়, সেলাই, টিউশন—বিক্রি করুন। মাসে ৫-১০ হাজার এক্সট্রা ইনকাম। **৫** **কৃষক/খামারি** ফসলের দাম, সরকারি স্কিম, আবহাওয়া, ড্রোন-স্প্রে সার্ভিস—সব আপডেট। ডিরেক্ট কাস্টমারের কাছে বেচুন, ফড়ে বাদ। **৬** **ডাক্তার/নার্স/টিচার** নিজের প্রোফাইল বানান, স্বাস্থ্য-শিক্ষা টিপস দিন। টেলি-কনসাল্ট, অনলাইন ক্লাস—এক্সট্রা ইনকাম। ১০০...

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন ও অশোকনগরের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

Image
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন ও অশোকনগরের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিজস্ব সংবাদদাতা: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ বাড়ছে। অশোকনগর মণ্ডল ৪-এর প্রেসিডেন্ট রিংকি সুর সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, দুর্নীতি এবং নির্বাচনী প্রত্যাশা নিয়ে তাঁর দলের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সহিংসতার পরিবেশ, নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক উত্তেজনার চিত্র ফুটে উঠছে। বীরভূমের ভয়াবহ পরিস্থিতির পাশাপাশি আরাবুল ইসলামের গাড়িতে হামলার ঘটনাটি রাজনৈতিক অস্থিরতারই ইঙ্গিত দেয়। এমনকি অশোকনগরের নালন্দা মোড়ে বিজেপির পথসভা করার সময়ও পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বলে রিংকি সুর জানান। তাঁর মতে, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়ার ভয়ে এই ধরনের বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করছে, যদিও পুলিশের সহায়তায় তাঁরা শেষ পর্যন্ত প্রচার কর্মসূচি সফল করতে পেরেছেন। দুর্নীতি ও কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা: নির্বাচনের মুখে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর লাগাতার তল্লাশি ও তদন্ত নিয়ে শাসক দলের পক্ষ থেকে...

অশোকনগরে পরিবর্তনের ডাক: নিকাশি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে হাতিয়ার করে জয়ের লক্ষ্যে বিজেপি

Image
অশোকনগরে পরিবর্তনের ডাক: নিকাশি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে হাতিয়ার করে জয়ের লক্ষ্যে বিজেপি নিজস্ব প্রতিনিধি, অশোকনগর: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর বিধানসভা কেন্দ্রে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। দীর্ঘ বাম শাসন এবং পরবর্তী তৃণমূল সরকারের ১৫ বছরের কার্যকালকে কাঠগড়ায় তুলে এবার পরিবর্তনের ডাক দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, নিকাশি ব্যবস্থা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা— প্রতিটি ক্ষেত্রেই অশোকনগর আজ অবহেলিত। নিকাশি ও পরিকাঠামো নিয়ে ক্ষোভ, বিজেপি নেতাদের মতে, অশোকনগরের প্রধান সমস্যা হলো, নিকাশি ব্যবস্থা। দীর্ঘ ৩৫ বছরের বাম শাসন এবং গত ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনেও এই সমস্যার কোনো উন্নতি হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন। বৃষ্টির সময় বিশেষ করে ২২, ১৫, ১৭ এবং ২১ নম্বর ওয়ার্ড জলের তলায় চলে যায়। এর স্থায়ী সমাধান হিসেবে নিকাশি ড্রেনকে গুমরা খালের সাথে যুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে বিজেপি। এছাড়াও, যাতায়াতের ক্ষেত্রেও অশোকনগরের মানুষ বঞ্চনার শিকার বলে অভিযোগ উঠেছে। নৈহাটি ও বারাসাত রুটে বাস চলাচল কমে যাওয়া এবং ...

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত: সাইলেন্ট ভোটারদের ছায়ায় অনিশ্চিত নির্বাচনী সমীকরণ

Image
রাজনৈতিক সমীকরণ  হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত: সাইলেন্ট ভোটারদের ছায়ায় অনিশ্চিত নির্বাচনী সমীকরণ কলমে সৌ মে ন ব সু  এইবার ভোট যত এগোচ্ছে ততই কঠিন হচ্ছে লড়াই। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে এইবারের ইলেকশন। মুলুত লড়াই দুই ফুলের কারণ মানুষ দুই ভাগে বিভক্ত। একটা অংশ শাসক দলের বিরুদ্ধে ফুঁসছে আর অপর অংশ বিজেপির বিরুদ্ধে না কিন্তু অন্য দলের হয়ে ভোটে দেবে চিন্তা করতে পারে। মানুষ ভাবছে ফুল বাদে অন্য কোথাও ভোট দেওয়া মানে ভোট নষ্ট করা আর এটাই এইবারেই ভোটারদের মানসিকতা হয়ে উঠেছে। অনেক সময় ভোট পার্সেন্টেজ বাড়লেও সিটে কনভার্ট হয়না। তাই অ্যাকচুয়াল seat সংখ্যা এইবার predict করা ভীষণ মুশকিল কারণ প্রচুর সাইলেন্ট ভোটার। যারা ওপিনিয়ন পোল বার করছেন তারা হয় আন্দাজে বলছেন বা ভুল স্যাম্পল size নিয়ে কাজ করছেন।  তবে মোটামুটি আমার বিচার বুদ্ধিতে বলছে যে -  ১. Urban আর sub -urban এরিয়াতে বিজেপি lead দেবে। পেছনে থাকবে TMC কলকাতাতেও ১১-০ যাবে না কিছু seat বিজেপি বার করবে যেই কেন্দ্র গুলোতে মুসলিম ভোট ২০% র কাছাকাছি বা নিচে। ২. গ্রাম থেকে বিজেপি make up দিয়ে দেওয়ার সম্...

ইতিবাচক সমাজ গড়তে বোলপুরে পথ চলা শুরু করল 'এক দুনিয়া', ডা. মলয় পিটের নতুন উদ্যোগ

Image
ইতিবাচক সমাজ গড়তে বোলপুরে পথ চলা শুরু করল 'এক দুনিয়া', ডা. মলয় পিটের নতুন উদ্যোগ নিজস্ব প্রতিনিধি, বোলপুর: বর্তমানের নেতিবাচক মানসিকতা এবং সংবাদ মাধ্যমের নেতিবাচক প্রচারের ভিড়ে শিশুদের জন্য এক সুন্দর ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করল নতুন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ekdunia.com । সম্প্রতি বোলপুরের শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজের মঞ্চ থেকে এই প্ল্যাটফর্মের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এর কর্ণধার তথা বিশিষ্ট সমাজসেবী ডা. মলয় পিট নেতিবাচকতার মুক্তি ও পজিটিভ বার্তা: উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডা. মলয় পিট জানান যে, বর্তমান সময়ে টিভি বা সোশ্যাল মিডিয়ায় সারাক্ষণ সমালোচনা, পারিবারিক বিবাদ ও নেতিবাচক খবর পরিবেশিত হয়, যা একটি শিশুর মনের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। শিশুদের এই অবস্থা থেকে মুক্তি দিতেই 'এক দুনিয়া' প্ল্যাটফর্মটির সৃষ্টি, যার মূল লক্ষ্য হলো অনলি পজিটিভ বা শুধুমাত্র ইতিবাচক বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। তিনি এপিজে আব্দুল কালামের কথা উল্লেখ করে বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে যাওয়াই তাঁর স্বপ্ন। নারী শক্তি ও উদ...

ছড়া: গরম / স্ব্ণা তালুকদার

Image
ছড়া: গরম  স্ব্ণা তালুকদার গরম টা রেগে আগুন, তেড়ে আসে দুপুর,   ঘাম ঝরে যায়, ফ্যানের হাওয়া চুপুর।   রাস্তাঘাটে পিচ গলেছে, জুতোয় লাগে আঠা,   আম কাঁঠালের রসে ভিজে, মন করে নাচা গাঁঠা।   গরম এলে আইসক্রিমে, ভিড় জমে যায় মোড়ে,   ডাবের জলে,এসি ছাড়লে প্রাণটা জুড়ায় ধীরে।   পুকুর জলে ঝাঁপ দিয়ে ভাই, পানি ও তো গরম  গরম ব্যাটা বেশি নেই তার শরম   রোদে পুড়বে মাথা   বের হলে নাও ছাতা সন্ধ্যা হলে কারেন্ট গেলে, হাতপাখাটা নড়ে,   মা গল্প শোনাই, তালপাতার ওই ঘরে।   রাতের বেলা ছাদে শুয়ে, দেখি ওই তারা    গরম চাই না তোমার ছুটি বানাবো না গরম গরম রুটি   তুমি যতই জ্বালাও,  বৃষ্টি দেবে মেলা।

বিয়াস ( এক নদী ও এক নারী'র গল্প ) সুদর্শন দত্ত -পর্ব দুই

Image
বিয়াস ( এক নদী ও এক নারী'র গল্প )  সুদর্শন দত্ত         ।। দুই ।।        রাতটা দিল্লিতে কাটিয়ে পরের দিন ফ্রেশ হয়ে খুব সকালে শিমলার উদ্দেশ্যে রওনা দিল ঋক। প্রথমে ভেবেছিল সরকারি বাসে করেই যাবে। পরে একটা গাড়ি ভাড়া করে বেরিয়ে পড়ে। দীর্ঘ পাহাড়ি পথের জার্নি। ঘুমিয়ে, জেগে, বসে, মোবাইল দেখে পাড়ি দিতে দিতে কখনও কোনো চটিতে, কখনও কোনো বড়সড় খাবারের দোকানে গাড়ি থেকে নেমে যতটা না খেয়েছে তার চেয়ে বেশি হাত পায়ের আড়মোড়া ভেঙেছে। এই পথে আনন্দ যেমন আছে, তেমনই আছে শারীরিক যন্ত্রণা। তবে সেসব ছাপিয়ে আনন্দই বেশি। কারণ, নতুন দেশ, নতুন স্বপ্ন, নতুন আশা। বিশ্ববিধাতার আপন হাতের সৃষ্টিকে চোখ মেলে দেখা ও অনুভব করার যে আনন্দ, তা শুধু মন থাকলেই হয় না, আলাদা মননও লাগে।         একটা পাহাড়ি চটিতে গাড়িটা দাঁড়ালে নেমে চা পান করে, জ্বলন্ত সিগারেট হাতে ইতস্তত হাঁটাহাটি করতে করতে দূরের দৃশ্যাবলী উপভোগ করছিল ঋক। ঠিক তখনই অনতিদূরের একটা দৃশ্যে চোখ আটকে যায়। একটা আপাত নিরীহ শীর্ণকায় ঝর্ণার জলে পা ডুবিয়ে একটা মেয়ের খেলা করার ঘটনা মুহূর্তে তার ...

শিরোনাম -কবির মানসিকতা/ কলমে -বিন্দাস ভার্গব

Image
শিরোনাম -কবির মানসিকতা কলমে -বিন্দাস ভার্গব “আমি কবি, বড় কবি, শব্দ আমার দাস,” কথার ভেতর খুঁজে পাওনি বন্ধু কোন বিশ্বাস? কলম হাতে ঝড় তুলি কাগজ জুড়ে আগুন মানুষটা আমি বড়ো কঠিন হৃদয় আসেনি ফাগুন । সবাইকে যে কথায় ছোট করে, তুলনা করে নিজে আকাশ, কিন্তু তার মনের ভিতরে সদাই অন্ধকারের বসো বাস। মানুষ লিখে প্রতিবাদী হয় , অন্যায়ের বিরুদ্ধে জ্বলে, নিজের আয়নায় নিজের মুখ একবারও কি চোখ মেলে? খাতার পাতায় সাজানো শব্দ, দেয়ালে ঝোলানো গর্ব, মানবতা আজ পড়েই  থাকে করছে তারই খর্ব । কবি হওয়া সহজ কথা নয়, শব্দেই হয় পরিচয়, মানুষ না হলে কবিতা লিখে কিসের দেখাও অভয়! বলি আগে মানুষ হও, তারপর কবিতা লেখো, হৃদয়হীন কবিতায় ঝড় তুলে অকারণ নিজেকে দেখো। ......... তারিখ -২৪/৪/২৬

“পোস্টার থেকে ভোটবাক্স: এক রাজনৈতিক অবস্থানের কথা”

Image
মতামতধর্মী প্রবন্ধ (Opinion Essay)   “পোস্টার থেকে ভোটবাক্স: এক রাজনৈতিক অবস্থানের কথা” কলমে সৌমেন বসু  অনেকেই জিজ্ঞাসা করছেন কেন সিপিএমের ১০০ টা পোস্টার যেখানে, সেখানে বিজেপির মাত্র ৫ টা? কিংবা সিপিএম মিছিলে ১০০ জন হলে বিজেপির ২০ জন ? আপনারা একবার দেখবেন সিপিএমের মিছিলে লোক তৃণমূলের চেয়েও বেশী এবং পোস্টারও বেশী l কারণ কেউ সিপিএমের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে না l যিনি সিপিএমের পোস্টার মারছেন তাঁর বাড়ীতে আগুন দেয়া হয় না, তাঁকে রাস্তায় বাঁশ পেটা হয় না, তাঁকে মিথ্যা গাঁজার মামলা দেয়া হয় না, তাঁদের মা বোনের সম্ভ্রম নিয়ে খেলা হয় না, তাঁর দোকান, অটো রিক্সা ভেঙে দেয়া হয় না l পশ্চিমবঙ্গর একটা বড় অংশে বিজেপি করা নিষিদ্ধ যেমনটা দুই ২৪ পরগনা, কলকাতা, হুগলি, মুর্শিদাবাদ মালদার বড় অংশে উলু দেয়া শাঁখ বাজানো কিংবা সরস্বতী পুজো করা l আর তাই এই যুদ্ধ আমাদের জিততে হবে l এ যুদ্ধ বিজেপির না l হিন্দু বাঙালীর l  আমাদের নিচু তলার কর্মী আছে এবং তা সিপিএমের ৪০ গুন l নইলে কেন আমরা ৩৯% আর ওরা ২%? কিন্তু আমরা লাশের রাজনীতি করি না l তাই এই অবস্থায় কাউকে জোর করে রাস্তায় নামাই না আমরা, যা তৃণম...

বিয়াস ( এক নদী ও এক নারী'র গল্প ) / কলমে- সুদর্শন দত্ত

Image
বিয়াস ( এক নদী ও এক নারী'র গল্প )  সুদর্শন দত্ত         ।।এক।।        ঋকসাম মুখার্জি ওরফে ঋক একটা বহুজাতিক সংস্থায় উচ্চপদস্থ চাকুরে। তার মা, বাবা, আর ছোট বোনের সাথে দক্ষিণ কোলকাতার এক বিলাসবহুল এ্যাপার্টমেন্টে বসবাস। অত্যাধুনিক জীবন যাপনে অভ্যস্ত হলেও নিজেকে সবসময় তার মোড়কে মুড়ে না রেখে উন্মুক্ত করতে ভীষণ ভালোবাসে। ভ্রমণের নেশা, অজানাকে জানা আর অচেনাকে চেনার এক দুর্নিবার টান তার মনের মধ্যে। তাই যখন যেখানে মন চায় বেরিয়ে পড়ে।         আজও এইমুহূর্তে সে তার রুকস্যাক গোছাতে ব্যস্ত। এবারের গন্তব্যও কুলু মানালি। এর আগেও একবার এই উপত্যকা ঘুরে গেছে। দারুণ সব সিনারিও, মনকাড়া নৈসর্গিক দৃশ্য, বিশেষ করে কুলু উপত্যকা, বিয়াস নদী, রঘুনাথ মন্দির, বীর বাবার মন্দির, পাহাড়ের পাদদেশে অচীন গ্রাম সেখানের মানুষ জন আর তাদের জীবনযাত্রার কি অপূর্ব নান্দনিক ছবি! কুলু হল হিমাচল প্রদেশের সেই জেলা যেখানে ভারতের প্রথম আপেল বাগান রোপন করা হয়েছিল এর বান্দ্রোল গ্রামে, আনুমানিক ১৮৭০ সালে। তাই...

আমি সেই নারী/ কলমে :- গৌতম কুমার চক্রবর্তী

Image
আমি সেই নারী কলমে :- গৌতম কুমার চক্রবর্তী আমি সেই নারী  আদিকাল থেকে আজও পুরুষের মনের মতো হয়ে সভ্য সমাজে বেঁচে আছি। আজ‌ও আমাকে আমার স্বাধীনতার জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে হয় ঘরে বাইরে। আমি সেই নারী আজ‌ও আমার নিজস্বতা বলে কিছু নেই। আজ‌ও সমান অধিকারের দাবিতে রাস্তায় নেমে মিছিল করতে হয়। আমি সেই নারী স্বাধীনতার কথা বললে স্বেচ্ছাচারিতা আখ্যা দিয়ে আজ‌ও আমার মতকে উপেক্ষা করে দাবিয়ে রাখা হয়। কোনো পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে কথা বললে সন্দেহের চোখে দেখা হয় আবার কোনো সময় চরিত্রহীন আখ্যা‌‌ও পেতে হয়। হ্যাঁ আমি সেই নারী আজ‌ও আমাকে মানুষ উৎপাদনের যন্ত্র হিসেবেই ব্যবহার করা হয়। আজ‌ও ট্রেনে বাসে প্রতিনিয়ত কিছু পুরুষের লোলুপ দৃষ্টি থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চলতে হয়। হ্যাঁ আমি সেই নারী  আমার‌ও একটা মন আছে, আমার‌ও একটা ভালোলাগা  অথবা ভালো না লাগার বিষয় আছে, আমার কিছু ইচ্ছে আছে, আমার অনেক কিছু করার আছে, কিন্তু আজ‌ও আমি পরাধীন। মাঠে ময়দানে নাটকের মঞ্চে নারী স্বাধীনতার উপর ভাষণ চলে, অথচো চার দেওয়ালের মধ্যে নারীদের উপর শাসন চলে। আমি সেই নারী যে আজও এই সভ্য সমাজে এক শ্রেণীর পুরুষের কাছে ...

শিরোনাম - পুরনোই থেকে গেলাম/ কলমে - গৌতম কুমার চক্রবর্তী

Image
শিরোনাম - পুরনোই থেকে গেলাম  কলমে - গৌতম কুমার চক্রবর্তী  নতুনের টানে অনেকটা পথ হেঁটে  ক্লান্ত শরীরে আবার ফিরে আসি আমার পুরনো জায়গায় ... যদি দেখা মেলে যা আছে স্মৃতিতে ! চারিদিকে যা দেখি সব‌ই নতুন  পুরোনো কিছুই নেই আমার ... যেখানে তোমাকে খুঁজে পেয়েছিলাম  সেই জায়গাটাও নতুন হয়ে গেছে ... তুমিও হারিয়ে গেছো নতুনের ভিড়ে ! নতুন করে অনেক কিছু‌ই লিখবো বলে  লেখা শুরু করি আবার কাটাকাটির পর  আমার সদ্য নতুন লেখাগুলো ... কোথায় যেন হারিয়ে যায় ! পুরোনো লেখাগুলো বারে বারেই  আমাকে আজও ভাবায় ! নতুন করে ছবি আঁকার লোভে  রং তুলি নিয়ে সাজিয়ে বসি ... মনের মাঝে সেই পুরনো ছবিগুলোই  আবার ফিরে আসে ... আমার সাধের গ্রাম আমার কৈশোর  আমার যৌবন উজাড় করে দিয়েছি  যাদের ভালোবেসে ! আমি কিছুতেই আধুনিক যান্ত্রিক  শহরের ছবি আঁকতে পারছিনা ... সহসা নতুন কোনো কবিতা আবৃত্তি  করার লোভ সামলাতে না পেরে ... যখন কবিতার বই নিয়ে বসি  তখনো পুরনো কবিতাগুলো ... মনের অজান্তেই গুনগুনিয়ে ওঠে ! আজও পুরনো গানের সুরে তাল মিলিয়ে  বেঁচে থাক...

শিরোনাম ۔۔۔۔۔۔۔۔۔۔প্রাদেশিক উন্নাসিকত/ কলমে ۔۔۔۔۔۔۔۔۔۔۔۔۔۔প্রবীর চক্রবর্তী

Image
শিরোনাম ۔۔۔۔۔۔۔۔۔۔প্রাদেশিক উন্নাসিকতা কলমে ۔۔۔۔۔۔۔۔۔۔۔۔۔۔প্রবীর  চক্রবর্তী  আমাদের নিজেদের মাতৃভাষাকেই আমরা  সম্মান করি না  তাই অন্য ভাষাভাষীরাও আমাদের উঠতে বসতে অপমান করতে ছাড়ে না , আমাদের নিজেদের মাতৃভাষাতেই   সকল কথা বলবো  সেটাই হোক আজ থেকে  সব বাঙালির সংকল্প , বাঙালী ভাই বোনেদের ভালোবাসায়  সাদরে আগলে রাখবো  ভিনরাজ্যে মানবো না  বাংলা ভাষা ও বাঙালীর অপমান  এই আমরাও তোমাদের করবো না , ভারতীয় বলে সম্মান  জানি জানি এটাও একরকম  প্রাদেশিক উন্নাসিকতা , বাংলা ভাষায় কথা বলি তাই  আমরা বাংলাদেশী এটা কেমন কথা ? সেরার সেরা মিষ্টি ভাষা  বাংলা ভাষাই মোদের গর্ব আশা , হিন্দিতে মোটাবাবু তোমাদের মিথ্যা ভাষণ  আদৌ শুনবো না তোমাদের প্রবচন , সয়েছি অনেক তোমাদের মিথ্যা  আশ্বাস ঝুড়ি ঝুড়ি আর না   আর না  আর না | ...... লেক গার্ডেন্স ,  কলকাতা ۔۔۔۔۔۔ পঁয়তাল্লিশ  তারিখ ۔۔۔۔۔۔۔۔কুড়ি শে এপ্রিল দুই হাজার ছাব্বিশ 

পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে/ কবি__কর্ণধর মণ্ডল

Image
পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে কবি__কর্ণধর মণ্ডল বিপর্যস্ত মৃত্যু'বাণে জর্জরিত, এই বিশ্ব-নিখিল মর্মাহত, হে অম্বর হে প্রকৃতি- রিক্ত'বক্ষে করো অমৃতসুধা বর্ষণ! প্রাণের পরে ছড়াও বাঁচার সঞ্জীবনী। মৃত্যু উপত্যকা হোক ধ্বংস, যত জরা-ব্যাধি হোক নিমেষে নিঃশেষ, মানবজাতি ফিরে পাক বাঁচার অভয় বাণী। নববর্ষের এই শুভাগমনে.... বিশ্ব মানবজাতির আশাহত প্রাণে, কুড়িয়ে নিক বুকভরা মুঠো মুঠো তৃপ্তির শ্বাস। মহাশুণ্যে নিষ্প্রাণ হয়ে প্রজ্বলিত তারারা, পরম স্নেহে ভরিয়ে দিক, আলোয় আলোয়- বিশ্ব-প্রকৃতির প্রতিটি কোণায় কোণায়! আবার নতুন করে নব জাগরণের বার্তা বয়ে আনুক! শান্ত-স্নিগ্ধ-নির্মল প্রকৃতি। ধরণীর বুকে রচিত হোক.... জীবনের নব-চেতনার, নব-ইতিহাস! মেঘেদের উড়ো চিঠি আনুক বার্তা বহন করে- একগুচ্ছ স্নিগ্ধতা, নির্ঝর বারিষ বর্ষণে। এ সংবাদ হোক জীবনের মহামন্ত্র! এ সংবাদ হোক ধরাবক্ষে, বিশ্ব-শান্তির নব সূচনা। হে অম্বর! তোমার পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে......! উপরে উক্ত কবিতার উপর নির্ভর করে ছবির জন্য কিছু প্রম্পট চাই

শুদ্ধ করে দাও /কবি__কর্ণধর মণ্ডল

Image
শুদ্ধ করে দাও  কবি__কর্ণধর মণ্ডল  সূর্য তুমি- প্রাণ ভরে দাও  তোমার আলোর স্পন্দনে, জাগ্রত করো বিবেক আমার! চেতনা বোধের সন্ধানে। শুদ্ধ হোক হৃদয় আমার  তোমার আলোক ধারাপাতে, চিত্ত হোক- ভয় শূণ্য! জীবনের যত চলার পথে। নির্মল করো- মঙ্গল করো! আঁধার ভাঙা ভোরে, তব দৃপ্ত কিরণ- দাও ছড়িয়ে, ভিক মাগি কর জোড়ে। পঞ্চ ইন্দ্রিয়- জাগ্রত করো! তোমার আলোর বিচ্ছুরণে, ষড় রিপু- নিয়ন্ত্রণের শক্তি জোগাও প্রার্থনা তাই মম জীবনে। লোলুপ দৃষ্টি- নাও তুমি কেড়ে, জ্ঞান দৃষ্টি দাও! তোমার স্নিগ্ধ আলোর ঝর্ণাধারায়  অন্তর মোর শুদ্ধ করে নাও!

শিরোনাম-কবির মৃত্যু হয় কবিতার নয়/ কবি____কর্ণধর মণ্ডল

Image
শিরোনাম-কবির মৃত্যু হয় কবিতার নয়  কবি____কর্ণধর মণ্ডল  কবিতাঃ-  যখন তুমি ডায়েরী আর কলম নিয়ে,                টেবিলে বসে মাথা গুঁজে এক মনে কি সব লিখতে!                 আমি তখন বিস্ময় হয়ে আবেগে উদ্বেগে তোমাকে জিজ্ঞাসা করতাম......                --কি লিখছো কবি?                 সারা দিনরাত এক মনে এক ধ্যানে একান্তে নির্জনে নিরালায়?                 তুমি তখন আমায় সান্ত্বনা দিতে বলতে......                --তুমিই তো আমার কবিতা!                 তাই শুধু তোমায় নিয়ে লিখছি......               সে কথা তোমার মনে আছে কবি?    কবিঃ--   আছে, বইকি!                তুমি তখন এলো চুলে আমা...

কবি বনাম কবিতা / কবি নমিতা ঘোষ বসু

Image
কবি বনাম কবিতা  কবি নমিতা ঘোষ বসু কী প্রয়োজন কলসি ভরার ? রাধা কলসি নদী ও বাঁশি , জল ওখানে শুধুই আচমন ।

মৌলিকতা / কবি নমিতা ঘোষ বসু

Image
মৌলিকতা   কবি নমিতা ঘোষ বসু দরজাটা মানের বহুমুখী প্রশ্নের জানলাটা ইচ্ছের অতীত টান, হুঁশ বেহুঁশ বিবেক মনুষত্বের ফতেয়া রাত দিনের। বিন্দু বিন্দু ঘামের জল হয়ে ওঠা একটি অপ্রেক্ষিত্ আবহাওয়ার অভিযান। ..........

শিরোনাম-- পরের জন্ম/ কলমে--নমিতা বসু

Image
বিভাগ--কবিতা শিরোনাম-- পরের জন্ম কলমে--নমিতা বসু অসঙ্গতির আয়নাতে বিকল্প সঙ্গত এক অনিয়মের আসক্তি, নিয়মিত কালবেলা উবচে পড়ে পৃথিবীর চোখে, মৃত ছবির জীবন্ত মালিকানায় ক্রমাগত হাত বদল, চারদিক দিক থেকে জলোচ্ছ্বাসে উঠে আসে অগণিত পরমায়ু, মহাশূন্যের নির্জন দ্বীপের মালিক এখন আমরা সবাই। সাদা ক্যানভাস জুড়ে বহু রঙের রাত্রির আত্মগোপন। অক্ষর চেনা আর হলোনা মনে হয় আমার ।

শিরোনাম- কাগজের নৌক/ কবি- নমিতা ঘোষ বসু

Image
শিরোনাম- কাগজের নৌকো  কবি- নমিতা ঘোষ বসু বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া কাগজ, যে কাগজটা খুন হয়ে ছিল, ওতে ফুল আঁকা ছিল । উপন্যাসে অজিতবাবুর নায়ক হওয়ার কথা ছিল, অজান্তের ডাক নামটা কখন যে শেকড়ে নেমে ছিল-- কলমে সেমিকোলোন তাই অযাচিত ভাবে এসেছিল। আসলে চাঁদ তো আকাশের গর্ভজাত ভ্রূণ ছিল ।                 ------0----

বিভাগ--কবিতা/ শিরোনাম----হারিয়ে যাওয়াটা/ কলমে---নমিতা বসু

Image
বিভাগ--কবিতা শিরোনাম----হারিয়ে যাওয়াটা, কলমে---নমিতা বসু                হারায়নি কিছুই, বূকের ভেতর মাথা রাখার অনুভূতি,পিছুটানের পটভূমি,অন্তহীন অপেক্ষা শীতের প্রথম কুয়াশা শুধু হেমন্তকে বিদায় দিতে গিয়ে অহংকারের উষ্ণতা দেখিয়েছে । হারায়নি কিছুই, সমুদ্রের ঢেউ,উন্মত্ততা,নীল আকাশ,বদলানো মুখের অঁচিল, ডোবার অল্প জলের ধাক্কায় ছোট্ট ডোঙাটা কাত হয়ে পড়েছিল । হারায়নি কিছুই, নিরাপত্তার আশ্বাস,"আমি আছি তো",শরতের সাদা রং, কপালের দাগের সাথে আপোসকরা চোখের ভাষা, শুধু পাঁচিলের কয়েকটা ইঁটের টুকরো বেরিয়ে এসেছিল।  হারিয়েছে একটাই শুধু হারিয়ে যাওয়াটা।          ---- 0---

যে জন্য ডেকেছি তোমায়/ কবি- নমিতা ঘোষ বসু

Image
যে জন্য ডেকেছি তোমায়  কবি- নমিতা ঘোষ বসু আমার চোখ , না বর্ণমালার অক্ষরে আবদ্ধ চোখ নয় , প্রতিদিনের হাঁটা পথের চোখ ও আমায় রাস্তা দেখায় না , ঘড়ির কঁlটার মতো বিন্দু বিন্দু ঘাম, শিথিল শরীরের মালিকানায় সাবেকি আওয়াজ বাঁধে । বাঁধে ছেঁড়া তারে জোড়া তালি । সময়কে কেনার ও দাবি রাখে । দাবি রাখে গোপন সংলাপ। প্রতিশব্দের অস্থিরতার আকুল অভিলাস। অনুভব করে অভেদের ঈশারা অমোঘ মোহিনী। অঙ্গীকার করে প্রলয়ের আতিশয্য,চেতন চঞ্চলতার সূত্র। ও মানতে চায়না যে রাজরাস্তা শুধুমাত্র সরলীকরণ। সমাধানের জন্য কখনো কখনো  সেই শুকনো পাতা ,ভাঙা কাঁটা ,নুড়ি ,মরা পাখির পালকহীন ডানা  এদের কাছে আসতেই হয় । ভারসাম্য বজায় রাখতে গন্তব্য ঠিকানা কেবলই মুচকি হাসে। তাহলে যে সুর্য ওঠার দায়বদ্ধতার মালিকানা সত্ব ওর বংশানুক্রমিক হয়ে যাবে । কে বোঝাবে ওকে? একরত্তি নি:শ্বাস?,বাতাস,?আগুন,?জল? আলোর ফোয়ারা? ঝড়? একে একে সবাই আসে আর ফিরে যায় শূন্যতার গর্জন ভেলায়। এক--   সুর সুর আসে কুহকী ডানা মেলে, খরস্রোতা নদী পেরিয়ে পাহাড়ি গোধূলিতে নিয়ন্ত্রণ হারায়। সবুজের স্নিগ্ধতায় বেচারা আশ্রিত তেহাই , সব মিলিয়ে যেন রাজকন্যা রাজপ...

শিরোনাম- ধারাবাহিকতা /কবি- নমিতা ঘোষ বসু

Image
ধারাবাহিকতা  কবি- নমিতা ঘোষ বসু শবদাহ সেরে এসে নিজের শরীর গোছাতে বসেছি । একটা নয় দুটো নয় চার চারটে অলংকার দিয়ে ।(বিবেক,বুদ্ধি,জ্ঞান,অভিজ্ঞতা) অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে । যত দুর যাওয়া যায় থামব না কোথাও । না নির্জনতায়,না কোলাহলে,না প্রবাহে না প্রহেলিকায়, না বিষণ্ণতায়, না বিভীষিকায়,না লজ্জ্বায় না লাবণ্যে । যতক্ষণ না নিষ্পন্দ হৃদস্পন্দন অন্তসত্বা গম্বুজের মতো তেহাইর মাত্রা অতিক্রম করে । লোভাতুর জান্তব আকঙ্ক্ষারা জীর্ণ কেল্লার মতো  মুখ থুবড়ে পড়বে । ঘাটে ঘাটে তৈরি হবে অসংখ্য শ্মশান আর শসাগরা পৃথিবীর সামান্য এক ঢেলা মাটি দিয়ে পুত্তলিকা বানানো হবে । যার পাশে পত্পত্ করে উড়তে থাকবে এক চিলতে কাপড় ওরফে গোত্র হীন পতাকা । হ্যাম সব জিন্দা রহে । আমরা অদৌ বেঁচে থাকবো তো?                                                          ----o-----

শিরোনাম--বৃত্তের ভেতর চাবি/ কলমে--নমিতা বসু

Image
বিভাগ--কবিতা  শিরোনাম--বৃত্তের ভেতর চাবি কলমে--নমিতা বসু                      বৃত্তের ভেতর চাবি শীত খুইয়েছি কিছু আগে , জমানো জল নোঙর বাইতে শেখায় বিদেশ বিভুঁইয়ে আবেগ টুকু আগলে রাখি। সঞ্চয় বলতে শব্দের ঘরে বেশ কিছু শাদা কাগজ কিছুটা অসুখ কিছুটা বিলাপ কিছুটা অধিকারের প্রকোপ । রাত চিৎ শোয়, সকাল খোঁড়ায  বিসর্জনের হাতে পুরোটাই আমি । তবুও মোমবাতি জ্বেলে আমিষ চোখে আকাশের তারার হাসি দেখি।                 -----------0-----

শিরোনাম- বাউল/ কবি- ইলা রায় মল্লিক

Image
বাউল  কবি- ইলা রায় মল্লিক  ওগো বাউল- মাটির গান গাও....।  ধুলো মাখা ওই চরণ দুখানি  চন্দন বর্ণায়। ওগো বাউল- হেঁটে চলেছ হাজার পথ ধরে,  তার কথা কও। বাউল যখন গান ধরল  উড়লো ধুলোবালি , এদিক ওদিক করছে তারা কত কানাকানি , কিসের কথা !কিসের কথা! বোঝাই যখন সাড়া মাটি খুঁড়ে প্রাসাদ ওঠে  লুকোয় সাঁওতাল পাড়া।। রাঙ্গামাটি ঢাকছে ইটে,  সোনাঝুরি কাঁপছে শীতে,  যে মাটিতে মাদুর পেতে বসত বাউল মাটির কোলে, হাত বসিয়ে লোভের থাবা।  কাড়ছে দেখো মাটির গন্ধ , রাঙ্গামাটিরবাউল কাঁদে  হাতে নিয়ে একতারা।।

শিরোনাম- রাষ্ট্র /কবি ইলা রায় মল্লিক

Image
রাষ্ট্র  ইলা রায় মল্লিক  রাষ্ট্র রাষ্ট্র বলে যত চেঁচাও দলে দলে , রাষ্ট্র বলে নেই তো কিছুই রয়েছো মায়া জালে। পেন্সিলের মাথাটি ছুঁচলো করো  আরো আরো বেশি ছুঁচালো।  মানচিত্রে লাগাও দাগ  জন্ম নিক অনেকগুলো দেশ। পেন্সিলের দাগ পড়ল নদে, রাস্তা কিংবা ঘরে,  পেন্সিলের সূচালো দাঁত পড়লো দেখো, গর্ভধারিনীর পেটে। অর্ধেক থাকে একটা দেশ আর অর্ধেক অন্য,  কাটবি নাকি মায়ের পেট  ওরে নতুন রাষ্ট্র বোন্য? কাটরে কাট ঢুকিয়ে দে পেন্সিলের ওই ছুঁচালো দাঁত, নীল পৃথিবী মায়ের রক্তে ভাসছে   নদী-নালা-ঘাস। নীল পৃথিবী বদলে লাল  অন্য গ্রহ দেখি,  মানুষের পৃথিবী নইরে আজ   পিশাচের ছবি আঁকি।।

প্রণাম গ্রহণ করো নির্মম/ কলমে- ইলা রায় মল্লিক

Image
প্রণাম গ্রহণ করো নির্মম। কলমে- ইলা রায় মল্লিক প্রণাম গ্রহণ কর নির্মম। আজ সকালে প্রাতঃ ভ্রমণে বেরিয়েছিলাম । ঘর ছেড়ে দু এক পা এগোতেই  এক খুব মিষ্টি চেনা গন্ধ…  পাতার ফাঁকে ফাঁকে মুকুল গাছকে দিয়েছে ঢেকে।  বাজারের ভেতর দিয়ে হাঁটছি, হঠাৎ গজিয়ে ওঠা দোকানগুলোর ঝাঁপ বন্ধের ফাঁক দিয়ে একটা দুটো সবুজ হলুদ পিচকারি বেরিয়ে আছে । তাইতো দুদিন বাদেই দোল।  হঠাৎ ফিরে গেলাম ছেলেবেলার দেশে।  তখন এই সময় পরীক্ষা চলত, বার্ষিক পরীক্ষা চলত। নানান বাধা বাড়ি থেকে, এ বছর রং খেলা যাবে না ,জ্বর হবে ,পরীক্ষা চলছে ,বেলুন পিচকিরি তো একেবারেই না । কে কার কথা শোনে -কান্না আর বাইনার মেলবন্ধনে বাবা রং পিচকিরি বেলুন কিনে দিতে বাধ্য।  কত পলাশ ফুল কুড়িয়ে দিতাম মাকে, আর মা তা দিয়ে রং তৈরি করে দিতেন। আমাদের ঘরের পূব কোণে একটা শিমুল অশোক আর কয়েকটা রুদ্র পলাশের বাগান ছিল সেখানেই রং খেলতে চলে যেতাম বড়রা ধরতো গান-ওরে গৃহবাসী খোল দ্বার খোল লাগলো যে দোল হঠাৎ করে একটা ঝাপুটে শব্দ তাকিয়ে দেখি বাজারের পূব কোণে হ্যাঁ হ্যাঁ পূব কোণে ন্যাড়া অশ্বথ গাছের নিচে ঝরা পাতার মধ্যে দাঁড়িয়ে...

শিরোনাম-প্রাদেশিক উন্নাসিকতা /কলমে- প্রবীর চক্রবর্তী

Image
প্রাদেশিক উন্নাসিকতা কলমে- প্রবীর চক্রবর্তী ۔ আমাদের নিজেদের মাতৃভাষাকেই আমরা সম্মান করি না তাই অন্য ভাষাভাষীরাও আমাদের উঠতে বসতে অপমান করতে ছাড়ে না , আমাদের নিজেদের মাতৃভাষাতেই সকল কথা বলবো সেটাই হোক আজ থেকে সব বাঙালির সংকল্প , বাঙালী ভাই বোনেদের ভালোবাসায় সাদরে আগলে রাখবো ভিনরাজ্যে মানবো না বাংলা ভাষা ও বাঙালীর অপমান এই আমরাও তোমাদের করবো না , ভারতীয় বলে সম্মান জানি জানি এটাও একরকম প্রাদেশিক উন্নাসিকতা , বাংলা ভাষায় কথা বলি তাই আমরা বাংলাদেশী এটা কেমন কথা ? সেরার সেরা মিষ্টি ভাষা বাংলা ভাষাই মোদের গর্ব আশা , হিন্দিতে মোটাবাবু তোমাদের মিথ্যা ভাষণ আদৌ শুনবো না তোমাদের প্রবচন , সয়েছি অনেক তোমাদের মিথ্যা আশ্বাস ঝুড়ি ঝুড়ি আর না আর না আর না | লেক গার্ডেন্স , কলকাতা ۔۔۔۔۔۔ পঁয়তাল্লিশ তারিখ ۔۔۔۔۔۔۔۔কুড়ি শে এপ্রিল দুই হাজার ছাব্বিশ