Posts

Showing posts from May, 2026

ওরা অবলা প্রাণী/কলমে ---- সুজয় সরকার

Image
 ওরা অবলা প্রাণী               ---------- সুজয় সরকার আমরা যাদের বলি অবলা প্রাণী- তাদের আমরা কতটুকু চিনি ? ওদের বুকের ভেতর চাপা আর্তি ওরাও বোঝে বেদনা আর,ভালো বাসার স্বাদ। মানুষের মতো ওদেরও আছে হৃদয় এ জগতে ওরা করে শুধু বেঁচে থাকার লড়াই। আমাদের তুরি বোঝে ,বোঝে ভালো আশা দুঃখ একটাই... আমরা কেউ বুঝতে চায় না ওদের ভাষা।

অশোকনগরের আর্বান কলোনিতে দুর্নীতির পাহাড়? দীর্ঘ বঞ্চনার শেষে নাগরিক পরিষেবার দাবিতে সরব ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা

Image
**অশোকনগরের আর্বান কলোনিতে দুর্নীতির পাহাড়? দীর্ঘ বঞ্চনার শেষে নাগরিক পরিষেবার দাবিতে সরব ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা** **নিজস্ব প্রতিনিধি, অশোকনগর:** স্বাধীনতার কয়েক দশক পরেও পশ্চিমবঙ্গের বহু উদ্বাস্তু কলোনি বা আর্বান কলোনিগুলোতে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অশোকনগর বিধানসভার অন্তর্গত ২২ নম্বর ওয়ার্ডের সমলক্ষী কলোনির চিত্রটি বর্তমানে অত্যন্ত করুণ। দীর্ঘ বঞ্চনা, জরাজীর্ণ রাস্তা এবং ভেঙে পড়া নিকাশি ব্যবস্থার প্রতিবাদে এবার সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ কোটি কোটি টাকা জনস্বার্থে ব্যবহৃত না হয়ে শাসকদলের নেতা ও বিধায়কদের পকেটে গেছে। **দীর্ঘ কয়েক দশকের বঞ্চনা:** সমলক্ষী কলোনির বাসিন্দাদের দাবি অনুযায়ী, তারা কেবল গত ১০ বা ১৫ বছর নয়, বরং দীর্ঘ ৩৯ বছর ধরে (বাম আমলের ৩৪ বছর এবং পরবর্তী তৃণমূল শাসনকাল) উন্নয়নের আলো থেকে বঞ্চিত। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এই এলাকাটি সবসময় অবহেলিত থেকেছে। স্থানীয় এক বিজেপি কর্মকর্তার মতে, এখানকার মানুষ সম্ভবত বিরোধী দল সমর্থিত হওয়ার কারণেই...

লোডশেডিং করে জেতা' বিরোধী দলনেতা আজ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী!

Image
'লোডশেডিং করে জেতা' বিরোধী দলনেতা আজ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী! ভাবা যায়? অনেক তাবর তাবর বিজেপি নেতাও তো অকপটে স্বীকার করেছিলেন, 'শুভেন্দু আসার পড় থেকেই বিজেপির ভোট কমেছে'! কলমে সৌমেন বোসু  যে সয়, সে রয়। একুশের ভোটে বিজেপির হার নিশ্চিত জেনেও সেদিন শাসক শিবির ছেড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। উড়ে এসে জুড়ে বসা ভাইপোর কাছে সেদিন মাথা নোয়াননি তিনি। বিধায়ক পদ থেকে দুই দুটি মন্ত্রীত্ব, জেলা সভাপতির পদ সবটা ছেড়ে বিজেপি তে এসেছিলেন। অনেকেই বলল, 'পিছন থেকে মমতার ছবিটা সরে গেলে, কে শুভেন্দু?' ২১ এ বিজেপি হারলো। কিন্তু আশার আলো টিমটিম করে জ্বালিয়ে রাখলেন তিনিই। নন্দীগ্রামে ১৯৫৬ ভোটে হারালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে। মমতার 'লোডশেডিং এর অজুহাত' একসময় মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করলেন। কথায় আছে, 'একটি মিথ্যাকে বারবার বললে তা একসময় সত্য বলে মনে হতে পারে।' তাই হলো। বিরোধী দলনেতা হয়ে বিজেপির কাটা যাওয়া অঙ্কগুলো নতুনভাবে কষতে শুরু করলেন শুভেন্দু। বিধানসভা উত্তাল। ২১৫ জনের টিম ৭৭ জনকে নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। নেতৃত্বে কে? সেই শুভেন্দু। বহুবার সাসপেন্ড ও হলেন...

মানুষ পুড়ছে/ ইলা রায় মল্লিক

Image
মানুষ পুড়ছে ই লা  রা য় ম ল্লি ক                              গভীর কুয়াশা ঢেকেছে পৃথিবীর বুক   গভীর কুয়াশা ঢেকেছে পৃথিবীর বুক। আধুনিক পোশাক পড়া ওরা কারা? - চার পায়ে হাঁটছে আদীম মানুষের মতো! ওরা কারা ? রাস্তার পাশে শুয়ে শুয়ে রয়েছে! হারিয়েছে বাড়ির ঠিকানা। ওরা কারা? শৃগাল টেনে নিয়ে যাচ্ছে বনের মধ্যে! হারিয়েছে প্রতিকারের ভাষা। ওরা কারা!ওরা কারা! কারা ওরা? ওরা মানুষ! হা...হা...হা...হা...(অট্টহাসি) মানুষ! দেখো দেখো খানিক আনন্দে  মাদকে আগুন লাগিয়ে ছিল সেই আগুন আজ সমস্ত  শক্তিকে, বুদ্ধিকে, ঞ্জানকে পুড়িয়ে চারিদিকে শুধু ধোঁয়া ধোঁয়া ধোঁয়া...! মানুষ পুড়ছে হা...হা...হা...হা... মানুষ পুড়ছে... মানুষ পুড়ছে... গভীর কুয়াশা ঢেকেছে পৃথিবীর বুক।।

শিরোনাম - দ্বিচারিতা /কলমে - বিন্দাস ভার্গব

Image
শিরোনাম - দ্বিচারিতা  কলমে - বিন্দাস ভার্গব  শহরে মানুষ হাঁটে  দুদিকে মুখ রেখে , একটা আলোয় ভরা, আরেকটা অন্ধকারে ঢেকে। মুখে হাসি,অন্তরে বিষ, সাজতে সাধুর বেস  স্বার্থে একটু পড়লে ঘা  হিংসায় নিঃশ্বেস । বন্ধুত্বে নামে গড়ে ওঠে  মিথ্যের এক দেয়াল, স্বার্থের টানে বদলে যায় সব আদর্শের জাল। আজ যে তোমার পাশে,  কাল সরে যাবে , শিয়ালের চিৎকার শুনে  সেও রং বদলাবে। বুক ভরা কথা কেউ  শোনেনা মন দিয়ে, সবাই ব্যস্ত মুখোশ আঁকতে  ভুসাে কালি নিয়ে ।  সত্য যেখানে নিত্য হারায়,  মিথ্যা পায় সিংহাসন, মানুষ হয়ে মানুষই করে  মানুষের অবমূল্যায়ন। একদিন সব ঝরে যাবে   মুখোশ পরা বাঁধন, ফিরে আসবে মানুষ,আবার  নিরহংকারী এই মন। তারিখ-৪/৫/২৬

নাইট অ্যাঙ্গেল/ সুনিধি দাস (মুর্শিদাবাদ)

Image
নাইট অ্যাঙ্গেল কলমে- সুনীধি দাস আজ ১২ মে নাইট অ্যাঙ্গেলর জন্মদিন  এবং নার্সের দিবস  আমার নার্সিং স্টুডেন্ট  ম্যামরা ভাবেন আমরা সব পাড়ি  হ্যাঁ হয়তো সত্যিই আমরা সব পাড়ি  আমার ৬ ঘন্টা ডিউটি করেও ওয়ার্ডে বকা খেতে পাড়ি  আবার ডিউটির শেষে হাঁসি মুখে ক্লাসে আসতে পাড়ি  পড়া না পাড়লে জুনিয়ার দের সামনে বকা খেতে পাড়ি  আবার বকা খাওয়ার পড়েও নির্লজ্জের মত হাসতে হাসতে রূমে আস্তে পাড়ি  যেন মনে হয়ে We Don't Care  কীন্তুু তার মানে এটা না যে আমরা ম্যাম দের সম্মান করি না সম্মান করি  এই যেমন  সকালে Good Morning থেকে শুরু করে রাত্রে ঘুমাতে যাওয়ার আগে Good Night বলা  Co-ordinator ম্যামের কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করি  হ্যাঁ মাঝে মধ্যে একটু ভুল করে ফেলি  এই যেমন - কোনোদিন shocks পড়তে ভুলে যায় তো কোনোদিন চুল টাইডি করতে আবার কখোনো ডট নয়টার ক্লাসে জয়েন করতে  আমরা সব পাড়ি  শুধু যেটা পাড়ি না  ইচ্ছামত বাড়ি ফিরতে  মায়ের মুখ মনে পড়লেও খুব ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কাছে গিয়ে জড়িয়ে ধরতে পারি না...

প্রতিদিনের কবিতা :- বসন্তের মেঘ/ কলমে:- অয়ন পত্রনবীশ

Image
প্রতিদিনের কবিতা :- বসন্তের মেঘ  কলমে:- অয়ন পত্রনবীশ  বসন্তে নতুন ফুল ফুটেছে  এখন অনেক পথ হাটা  বাকি  স্নিগ্ধতায় মিশেছে হৃদয় তবু অচেতন মনে,    আলেয়ার পিছনে ছোটা  জীবনের রং গুলো  কোথায় যেন মিলেমিশে একাকার  নিরবতাই না বলা ,শব্দগুলো কথা বলে  হয়তো জীবনের দর্পণের ছাপ পড়বে ঠিক   সৃষ্টির নেশা যখন মাতোয়ারা মন  তখন জীবনে রঙের মানে  গুলো বোঝা যায়।  সুপ্ত অঙ্কুর একটা প্রাণের কথা বলে  ছোট্ট একটা হ্যাঁ  সৃষ্টিকে গড়ে তোলে অনন্তকাল ধরে  যে পথের প্রান্তরে দাঁড়িয়ে থাকা একজন। হৃদয়কে স্পর্শ করে প্রথম কুয়াশার মত  যে ক্ষণে কে মিলিয়ে যায় রোদ্দুর সাথে সাথে  তুই তো মুক্ত আকাশ, মেঘের মতো ভাসতে থাকে মেঘের ভেলায়। নিজের ভালোবাসাটা বসন্ত সকাল ,ক্যানভাসে আঁকা থাকে চিরকাল।  একটু সৃষ্টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়ত জীবনটাকে অনেক বেশি সুন্দর করে তোলে।  মেঘের রাজ্যে বৃষ্টি আসুক  সেই বৃষ্টি ভাসিয়ে তুলুক হৃদয়টাকে  বৃষ্টি হয়েঝরে পড়ুক ভালোবাসার ভূমিতে।

সিগন্যাল স্থির/ অ্যামির হেমব্রম (অচিন্ত)

Image
  সিগন্যাল স্থির অ্যামির হেমব্রম (অচিন্ত) শরীর থেকে আত্মা বেরিয়ে আসতে চাইছে, আমি যেকোনো মুহূর্তে গলে পড়তে পারি— বরফ-ঠান্ডা শরীর আর বেপরোয়া চিন্তার ভেতর। শূন্য রেললাইন কুয়াশায় ঢেকে আছে, লাল সিগন্যাল স্থির— মনের ভেতর থপথপে ভয়, এখনই যেন ঘটে যাবে কোনো বিস্ফোরণ। ভিড়, কোলাহল, চিৎকার— কান ঝালাপালা হয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। পাখির পালক হতে চেয়ে মৃত্যুকেও কখনো ভালোবেসেছি, শিশুর সাথে মিশতে গিয়ে নিজেকেও বানিয়েছি শিশু। এখন শুধু প্রস্তুতি— ভালোবাসা আর শুকনো ফুলের মধ্যে। কোনো সমাধান নেই, আত্মা বেরিয়ে যাবেই। রেলের পাথরে লেগে আছে রক্ত— চুমু আর হাত রাখার বিশ্বাসে আরেকবার বেঁচে ওঠার জন্য একটু জায়গা দাও তোমার খোলসে, নয়তো সত্যিই মরে যেতে হবে। তবু সময় যদি একটু থামে, শেষবার ভেবে নেব— শরীর ছাড়ার আগে একটা সুইসাইড নোট লিখে রেখে যাব।

রাজনৈতিক রং বদলের খেলায় হারিয়ে যাচ্ছে আদর্শ

Image
রাজনৈতিক রং বদলের খেলায় হারিয়ে যাচ্ছে আদর্শ সৌমেন বসু (অশোকনগর) মুসলিম ও বামপন্থী দুজনেই আল-ত্বাকিয়ায় বিশ্বাস করে, যারা ৪ ঠা মে দুপুর থেকে বিজেপি হয়েছেন তাদের অনুরোধ করবো আল-ত্বাকিয়া কি সেটা গুগল সার্চ করে নেবেন..... এইবার আসি আসল কথায়, ২০১৯ সালে বিজেপি লোকসভায় যখন ১৮ টি আসনে জয়ী হয়েছিল তখন বিজেপির নেতা থেকে কর্মী সবাই সিপিএমের দখল হয়ে যাওয়া পার্টি অফিসগুলো ফিরিয়ে দিয়েছিলো তৃনমূলের হাত থেকে কেড়ে যার ফলস্বরূপ ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে 'নো ভোট টু বিজেপি' ক্যাম্পেইন করে ভোট কেটে তৃনমূল কে জিতিয়ে দিলো সিপিএম.... শূন্য যখন সিপিএমের পিছন ছাড়ছে না, তখন সিপিএম একটা পলিসি নিয়েছে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে, সিপিএমের ভোট নেই এখন কিন্তু সিপিএমের বিভিন্ন নেতা প্রচার করছে আমরা বিজেপির হয়ে ভোট করেছি আর সেটা শুনে বিজেপির নেতা-কর্মীরা গদগদ হয়ে সিপিএমের পার্টি অফিসগুলো দখল মুক্ত করে ফিরিয়ে দিচ্ছে, এর ফল কতটা ভয়ঙ্কর কল্পনা করতে পারবেন না..... তৃণমূল একটা পরিবারের দল ছিল কিন্তু সিপিএম একটা সামাজিক ব্যাধি, সিপিএম মানেই ধর্ম বিরোধী, দেশবিরোধী শক্তি, বর্তমা...

হরিদাস দারোগা

Image
হরিদাস দারোগা  বিশ্বজিৎ তালুকদার (অশোকনগর কল্যাণগড়) ------------------------- হরিদাস দারোগা, গোঁফে দিয়ে তা  কাজকাম লাটে তুলে ছড়িয়েছে পা,     হাটে চলে খটখট, কথা কয় চটপট         রেগে গেলে ভাষা তার             কেউ বোঝেনা।    চোর ধরে জেলে ভরে গেট রাখে খোলা           তাকে দেখে লাগে ভয়,             মনটা যে ভোলা। মনটা যে বড় ভালো হরিদাস দারোগার               পিস্তল রাখে না যে             রাখে না তো তলোয়ার।   ঘুষ দিলে রেগে যায় মোটা করে চোখ            খামচিটা দেবে বলে              রেখেছে যে নখ।

দত্তপুকুরের 'অনুভূতি আবৃত্তি কেন্দ্র'-এর ৫ বছরে পদার্পণ: রবীন্দ্র জয়ন্তীর মঞ্চে শিল্পের এক অনন্য মেলবন্ধন

Image
**নিজস্ব প্রতিনিধি, দত্তপুকুর: পঁচিশে বৈশাখ মানেই বাঙালির হৃদয়ে এক অনন্য আবেগ, এক চিরন্তন উৎসব। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মজয়ন্তীকে কেন্দ্র করে সারা বিশ্বের সাথে সাথে মেতে উঠেছে উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরও। এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং কবির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল স্থানীয় আবৃত্তি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র অনুভূতি। এই বছর সংস্থাটি তাদের যাত্রার পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ করল। বিবিপি টিভি বাংলার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে সেই অনুষ্ঠানের নানা বর্ণময় মুহূর্ত এবং এই প্রতিষ্ঠানের নেপথ্যে থাকা কারিগরদের নিরলস পরিশ্রমের কাহিনী। পাঁচ বছরের পথচলা: একটি ছোট চারাগাছ থেকে মহীরুহ ‘অনুভূতি’ আবৃত্তি কেন্দ্রের এই পথচলা খুব বেশি দিনের না হলেও, এর সাফল্যের ঝুলি বেশ সমৃদ্ধ। ২০২০ সালের এক কঠিন সময়ে মাত্র ৭ থেকে ৮ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে শুরু হয়েছিল এই পথচলা। আজ পাঁচ বছর পরে সেই ক্ষুদ্র আয়োজন এক বিশাল ‘অনুভূতি পরিবারে’ পরিণত হয়েছে। অনুষ্ঠানের শুরুতেই এই অগ্রগতির কথা স্মরণ করা হয়। প্রতিষ্ঠানের এই দীর্ঘ যাত্রার কথা বলতে গিয়ে জানানো হয় য...

আমি সেই নারী/ কলমে গৌ ত ম কু মা র চক্রবর্তী

Image
আমি সেই নারী কলমে গৌ ত ম  কু মা র চক্রবর্তী  আমি সেই নারী  আদিকাল থেকে আজও পুরুষের মনের মতো হয়ে সভ্য সমাজে বেঁচে আছি। আজ‌ও আমাকে আমার স্বাধীনতার জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে হয় ঘরে বাইরে। আমি সেই নারী আজ‌ও আমার নিজস্বতা বলে কিছু নেই। আজ‌ও সমান অধিকারের দাবিতে রাস্তায় নেমে মিছিল করতে হয়। আমি সেই নারী স্বাধীনতার কথা বললে স্বেচ্ছাচারিতা আখ্যা দিয়ে আজ‌ও আমার মতকে উপেক্ষা করে দাবিয়ে রাখা হয়। কোনো পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে কথা বললে সন্দেহের চোখে দেখা হয় আবার কোনো সময় চরিত্রহীন আখ্যা‌‌ও পেতে হয়। হ্যাঁ আমি সেই নারী আজ‌ও আমাকে মানুষ উৎপাদনের যন্ত্র হিসেবেই ব্যবহার করা হয়। আজ‌ও ট্রেনে বাসে প্রতিনিয়ত কিছু পুরুষের লোলুপ দৃষ্টি থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চলতে হয়। হ্যাঁ আমি সেই নারী  আমার‌ও একটা মন আছে, আমার‌ও একটা ভালোলাগা  অথবা ভালো না লাগার বিষয় আছে, আমার কিছু ইচ্ছে আছে, আমার অনেক কিছু করার আছে, কিন্তু আজ‌ও আমি পরাধীন। মাঠে ময়দানে নাটকের মঞ্চে নারী স্বাধীনতার উপর ভাষণ চলে, অথচো চার দেওয়ালের মধ্যে নারীদের উপর শাসন চলে। আমি সেই নারী যে আজও এই সভ্য সমাজে এক শ্রেণীর ...

শিরোনাম- চকলেট প্রেম/ কলমে -বি ন্দা স ভা র্গ ব

Image
শিরোনাম- চকলেট প্রেম  কলমে -বি ন্দা স  ভা র্গ ব  তোমার হাসি চকলেট,  মিষ্টি তার স্বাদ, তোমায় নিয়ে কতজনের  হয়েছে বিবাদ। তুমি যেন আইসক্রিম,  গলে যাও ধীরে, আমি শুধু তাকিয়ে থাকি,  মেলার ওই ভিড়ে। তোমার চোখ দুটো যেন  ওয়াইফাই সিগন্যাল, একবার পড়লে ধরা  থাকবে চিরকাল । তোমার সাথে কথা মানে  ফ্রি ডাটা প্যাক, শেষ হতেই চায় না যেন ,  আনলিমিটেড ট্র্যাক। তুমি যদি চা হও ,  আমি যে বিস্কুট, ডুব দিয়েই বলতে থাকি  আমি রবীন হুড । এভাবেই চলুক সবার  প্রেমের এই খেলা, তোমার হাসি চকলেট,  মিষ্টি তার স্বাদ, তোমায় নিয়ে কতজনের  হয়েছে বিবাদ। তুমি যেন আইসক্রিম,  গলে যাও ধীরে, আমি শুধু তাকিয়ে থাকি,  মেলার ওই ভিড়ে। তোমার চোখ দুটো যেন  ওয়াইফাই সিগন্যাল, একবার পড়লে ধরা  থাকবে চিরকাল । তোমার সাথে কথা মানে  ফ্রি ডাটা প্যাক, শেষ হতেই চায় না যেন ,  আনলিমিটেড ট্র্যাক। তুমি যদি চা হও ,  আমি যে বিস্কুট, হাসি-ঠাট্টায় ভরা থাকুক  প্রতিদিনের বেলা!

একা পথে হেঁটে/ কলমে বিন্দাস ভার্গব

Image
একা পথে হেঁটে কলমে বি ন্দা স  ভা র্গ ব  জীবন যেন দাবার গুটি  চালগুলো সব ফাঁকি, হিসেব মেলাতে গিয়েই দেখি  কাজ যে অনেক বাকি। পথের ধারে কত মুখই  আসে আর যায়  মন খুলে সব বলতে গেলে  অন্তরে ভয় পায় । একা পথে হেঁটে হেঁটে  ভুলে বসি পথ , স্বপ্নগুলো হারায় যেন  চড়ে স্বর্ণ রথ । হিসেবহীন দিনগুলোই সব  সাথী হয়ে রয়, অগোচরে বাড়তে থাকে  মনের অবক্ষয়। সবাই দেয় নিজের মতো  সুখ-দুঃখের ছোঁয়া, তবু কেন মনের মাঝে  রয়ে যায় ধোঁয়া। দুঃখ যদি সাথী হয়েই  পাশে থাকে নীরব, সুখের আলো এলে সবার করে কলোরব ।

নৃত্যপরা/ কলমে অ য় ন প ত্র ন বি শ (দাঘ)

Image
নৃত্যপরা অ য় ন  প ত্র ন বি শ (দাঘ) পায়ের নিচে জ্বলন্ত অঙ্গার পেতে জীবন বললো - ছন্দ মেলাও ... ঝলসে যেতে যেতে আমি ঈশ্বরকে বললাম - এ কেমন ছন্দ মেলানোর আদেশ প্রভু ? ঈশ্বর কিছুক্ষণ মৌন থেকে  অস্ফূটে বললেন , "ছন্দ মেলাও ..." বললাম - আমার পায়ের নিচে জ্বলন্ত অগ্নিকণা স্থির হতে দিচ্ছে কই ! এ যন্ত্রণা যে সহ্য হয় না আর ! ঈশ্বর আবারও বললেন - "ছন্দ মেলাও...।" বললাম - আমি ক্লান্ত  তিনি বললেন - "ছন্দ মেলাও" বললাম - আমি নিঃস্ব  তিনি বললেন - "ছন্দ মেলাও"  বললাম - তুমি কি বুঝতে পারছো না যে  আমার সব শক্তি নিঃশেষিত ! ঈশ্বর বললেন - "তোমার শক্তি নিঃশেষিত হলেও তোমার অন্তরে যে ঘুমিয়ে আছে, তার শক্তি কখনও ফুরোতে পারে না !" বললাম - কে আছে আমার অন্তরে ? তিনি বললেন - "আমার ঈশ্বরী !" বললাম - কেমন করে জাগাবো তাকে ? তিনি বললেন - তাকে বলো ঈশ্বর তার অপেক্ষায় !  তাকে বলো ঈশ্বরী ছন্দ না মেলালে ঈশ্বর নৃত্যপরা হবে কোন সুখে !  জানো না  , আমার সব শোক, সব সুখ , সৃজনের  ছন্দ আনন্দ তার কাছে  গচ্ছিত রেখেছি  !  তাকে জাগাও , ছন্দ মেলাও।"  বললাম - মা...