Posts

ওরা অবলা প্রাণী/কলমে ---- সুজয় সরকার

Image
 ওরা অবলা প্রাণী               ---------- সুজয় সরকার আমরা যাদের বলি অবলা প্রাণী- তাদের আমরা কতটুকু চিনি ? ওদের বুকের ভেতর চাপা আর্তি ওরাও বোঝে বেদনা আর,ভালো বাসার স্বাদ। মানুষের মতো ওদেরও আছে হৃদয় এ জগতে ওরা করে শুধু বেঁচে থাকার লড়াই। আমাদের তুরি বোঝে ,বোঝে ভালো আশা দুঃখ একটাই... আমরা কেউ বুঝতে চায় না ওদের ভাষা।

অশোকনগরের আর্বান কলোনিতে দুর্নীতির পাহাড়? দীর্ঘ বঞ্চনার শেষে নাগরিক পরিষেবার দাবিতে সরব ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা

Image
**অশোকনগরের আর্বান কলোনিতে দুর্নীতির পাহাড়? দীর্ঘ বঞ্চনার শেষে নাগরিক পরিষেবার দাবিতে সরব ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা** **নিজস্ব প্রতিনিধি, অশোকনগর:** স্বাধীনতার কয়েক দশক পরেও পশ্চিমবঙ্গের বহু উদ্বাস্তু কলোনি বা আর্বান কলোনিগুলোতে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অশোকনগর বিধানসভার অন্তর্গত ২২ নম্বর ওয়ার্ডের সমলক্ষী কলোনির চিত্রটি বর্তমানে অত্যন্ত করুণ। দীর্ঘ বঞ্চনা, জরাজীর্ণ রাস্তা এবং ভেঙে পড়া নিকাশি ব্যবস্থার প্রতিবাদে এবার সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ কোটি কোটি টাকা জনস্বার্থে ব্যবহৃত না হয়ে শাসকদলের নেতা ও বিধায়কদের পকেটে গেছে। **দীর্ঘ কয়েক দশকের বঞ্চনা:** সমলক্ষী কলোনির বাসিন্দাদের দাবি অনুযায়ী, তারা কেবল গত ১০ বা ১৫ বছর নয়, বরং দীর্ঘ ৩৯ বছর ধরে (বাম আমলের ৩৪ বছর এবং পরবর্তী তৃণমূল শাসনকাল) উন্নয়নের আলো থেকে বঞ্চিত। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এই এলাকাটি সবসময় অবহেলিত থেকেছে। স্থানীয় এক বিজেপি কর্মকর্তার মতে, এখানকার মানুষ সম্ভবত বিরোধী দল সমর্থিত হওয়ার কারণেই...

লোডশেডিং করে জেতা' বিরোধী দলনেতা আজ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী!

Image
'লোডশেডিং করে জেতা' বিরোধী দলনেতা আজ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী! ভাবা যায়? অনেক তাবর তাবর বিজেপি নেতাও তো অকপটে স্বীকার করেছিলেন, 'শুভেন্দু আসার পড় থেকেই বিজেপির ভোট কমেছে'! কলমে সৌমেন বোসু  যে সয়, সে রয়। একুশের ভোটে বিজেপির হার নিশ্চিত জেনেও সেদিন শাসক শিবির ছেড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। উড়ে এসে জুড়ে বসা ভাইপোর কাছে সেদিন মাথা নোয়াননি তিনি। বিধায়ক পদ থেকে দুই দুটি মন্ত্রীত্ব, জেলা সভাপতির পদ সবটা ছেড়ে বিজেপি তে এসেছিলেন। অনেকেই বলল, 'পিছন থেকে মমতার ছবিটা সরে গেলে, কে শুভেন্দু?' ২১ এ বিজেপি হারলো। কিন্তু আশার আলো টিমটিম করে জ্বালিয়ে রাখলেন তিনিই। নন্দীগ্রামে ১৯৫৬ ভোটে হারালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে। মমতার 'লোডশেডিং এর অজুহাত' একসময় মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করলেন। কথায় আছে, 'একটি মিথ্যাকে বারবার বললে তা একসময় সত্য বলে মনে হতে পারে।' তাই হলো। বিরোধী দলনেতা হয়ে বিজেপির কাটা যাওয়া অঙ্কগুলো নতুনভাবে কষতে শুরু করলেন শুভেন্দু। বিধানসভা উত্তাল। ২১৫ জনের টিম ৭৭ জনকে নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। নেতৃত্বে কে? সেই শুভেন্দু। বহুবার সাসপেন্ড ও হলেন...

মানুষ পুড়ছে/ ইলা রায় মল্লিক

Image
মানুষ পুড়ছে ই লা  রা য় ম ল্লি ক                              গভীর কুয়াশা ঢেকেছে পৃথিবীর বুক   গভীর কুয়াশা ঢেকেছে পৃথিবীর বুক। আধুনিক পোশাক পড়া ওরা কারা? - চার পায়ে হাঁটছে আদীম মানুষের মতো! ওরা কারা ? রাস্তার পাশে শুয়ে শুয়ে রয়েছে! হারিয়েছে বাড়ির ঠিকানা। ওরা কারা? শৃগাল টেনে নিয়ে যাচ্ছে বনের মধ্যে! হারিয়েছে প্রতিকারের ভাষা। ওরা কারা!ওরা কারা! কারা ওরা? ওরা মানুষ! হা...হা...হা...হা...(অট্টহাসি) মানুষ! দেখো দেখো খানিক আনন্দে  মাদকে আগুন লাগিয়ে ছিল সেই আগুন আজ সমস্ত  শক্তিকে, বুদ্ধিকে, ঞ্জানকে পুড়িয়ে চারিদিকে শুধু ধোঁয়া ধোঁয়া ধোঁয়া...! মানুষ পুড়ছে হা...হা...হা...হা... মানুষ পুড়ছে... মানুষ পুড়ছে... গভীর কুয়াশা ঢেকেছে পৃথিবীর বুক।।

শিরোনাম - দ্বিচারিতা /কলমে - বিন্দাস ভার্গব

Image
শিরোনাম - দ্বিচারিতা  কলমে - বিন্দাস ভার্গব  শহরে মানুষ হাঁটে  দুদিকে মুখ রেখে , একটা আলোয় ভরা, আরেকটা অন্ধকারে ঢেকে। মুখে হাসি,অন্তরে বিষ, সাজতে সাধুর বেস  স্বার্থে একটু পড়লে ঘা  হিংসায় নিঃশ্বেস । বন্ধুত্বে নামে গড়ে ওঠে  মিথ্যের এক দেয়াল, স্বার্থের টানে বদলে যায় সব আদর্শের জাল। আজ যে তোমার পাশে,  কাল সরে যাবে , শিয়ালের চিৎকার শুনে  সেও রং বদলাবে। বুক ভরা কথা কেউ  শোনেনা মন দিয়ে, সবাই ব্যস্ত মুখোশ আঁকতে  ভুসাে কালি নিয়ে ।  সত্য যেখানে নিত্য হারায়,  মিথ্যা পায় সিংহাসন, মানুষ হয়ে মানুষই করে  মানুষের অবমূল্যায়ন। একদিন সব ঝরে যাবে   মুখোশ পরা বাঁধন, ফিরে আসবে মানুষ,আবার  নিরহংকারী এই মন। তারিখ-৪/৫/২৬

নাইট অ্যাঙ্গেল/ সুনিধি দাস (মুর্শিদাবাদ)

Image
নাইট অ্যাঙ্গেল কলমে- সুনীধি দাস আজ ১২ মে নাইট অ্যাঙ্গেলর জন্মদিন  এবং নার্সের দিবস  আমার নার্সিং স্টুডেন্ট  ম্যামরা ভাবেন আমরা সব পাড়ি  হ্যাঁ হয়তো সত্যিই আমরা সব পাড়ি  আমার ৬ ঘন্টা ডিউটি করেও ওয়ার্ডে বকা খেতে পাড়ি  আবার ডিউটির শেষে হাঁসি মুখে ক্লাসে আসতে পাড়ি  পড়া না পাড়লে জুনিয়ার দের সামনে বকা খেতে পাড়ি  আবার বকা খাওয়ার পড়েও নির্লজ্জের মত হাসতে হাসতে রূমে আস্তে পাড়ি  যেন মনে হয়ে We Don't Care  কীন্তুু তার মানে এটা না যে আমরা ম্যাম দের সম্মান করি না সম্মান করি  এই যেমন  সকালে Good Morning থেকে শুরু করে রাত্রে ঘুমাতে যাওয়ার আগে Good Night বলা  Co-ordinator ম্যামের কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করি  হ্যাঁ মাঝে মধ্যে একটু ভুল করে ফেলি  এই যেমন - কোনোদিন shocks পড়তে ভুলে যায় তো কোনোদিন চুল টাইডি করতে আবার কখোনো ডট নয়টার ক্লাসে জয়েন করতে  আমরা সব পাড়ি  শুধু যেটা পাড়ি না  ইচ্ছামত বাড়ি ফিরতে  মায়ের মুখ মনে পড়লেও খুব ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কাছে গিয়ে জড়িয়ে ধরতে পারি না...

প্রতিদিনের কবিতা :- বসন্তের মেঘ/ কলমে:- অয়ন পত্রনবীশ

Image
প্রতিদিনের কবিতা :- বসন্তের মেঘ  কলমে:- অয়ন পত্রনবীশ  বসন্তে নতুন ফুল ফুটেছে  এখন অনেক পথ হাটা  বাকি  স্নিগ্ধতায় মিশেছে হৃদয় তবু অচেতন মনে,    আলেয়ার পিছনে ছোটা  জীবনের রং গুলো  কোথায় যেন মিলেমিশে একাকার  নিরবতাই না বলা ,শব্দগুলো কথা বলে  হয়তো জীবনের দর্পণের ছাপ পড়বে ঠিক   সৃষ্টির নেশা যখন মাতোয়ারা মন  তখন জীবনে রঙের মানে  গুলো বোঝা যায়।  সুপ্ত অঙ্কুর একটা প্রাণের কথা বলে  ছোট্ট একটা হ্যাঁ  সৃষ্টিকে গড়ে তোলে অনন্তকাল ধরে  যে পথের প্রান্তরে দাঁড়িয়ে থাকা একজন। হৃদয়কে স্পর্শ করে প্রথম কুয়াশার মত  যে ক্ষণে কে মিলিয়ে যায় রোদ্দুর সাথে সাথে  তুই তো মুক্ত আকাশ, মেঘের মতো ভাসতে থাকে মেঘের ভেলায়। নিজের ভালোবাসাটা বসন্ত সকাল ,ক্যানভাসে আঁকা থাকে চিরকাল।  একটু সৃষ্টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়ত জীবনটাকে অনেক বেশি সুন্দর করে তোলে।  মেঘের রাজ্যে বৃষ্টি আসুক  সেই বৃষ্টি ভাসিয়ে তুলুক হৃদয়টাকে  বৃষ্টি হয়েঝরে পড়ুক ভালোবাসার ভূমিতে।